দাম কমলেও নাগালে আসেনি সবজি, মাছ-মাংসের খবর কী?
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও সাধারণ মানুষের জন্য এখনো স্বস্তি ফেরেনি। বিশেষ করে মাছ, গরু ও মুরগির মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে বাজার করতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় কিছু মৌসুমি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। ফলে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন অনুভব করছেন না ক্রেতারা।

অন্যদিকে মাছের বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেশিরভাগ মাছ এখনো সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও খাসির মাংসের দামও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় অনুযায়ী বাজারদর এখনো অনেক বেশি। তারা বলছেন, কেবল কয়েকটি সবজির দাম কমলেই বাজারে স্বস্তি ফেরে না; মাছ, মাংস, ডাল ও চালসহ সব নিত্যপণ্যের দাম কমানো জরুরি।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ও পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়ায় বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তবে নতুন করে সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা করছেন তারা।
মন্তব্য করুন
সংশ্লিষ্ট
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও সাধারণ মানুষের জন্য এখনো স্বস্তি ফেরেনি। বিশেষ করে মাছ, গরু ও মুরগির মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে বাজার করতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় কিছু মৌসুমি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। ফলে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন অনুভব করছেন না ক্রেতারা।নিত্যপণ্য ছবি: অন্যদিকে মাছের বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেশিরভাগ মাছ এখনো সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও খাসির মাংসের দামও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় অনুযায়ী বাজারদর এখনো অনেক বেশি। তারা বলছেন, কেবল কয়েকটি সবজির দাম কমলেই বাজারে স্বস্তি ফেরে না; মাছ, মাংস, ডাল ও চালসহ সব নিত্যপণ্যের দাম কমানো জরুরি।বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ও পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়ায় বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তবে নতুন করে সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা করছেন তারা।
আজ ১৩ মে ২০২৬, বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।সভায় দেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে একনেক সভার সিদ্ধান্তসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ঢাকায় নিযুক্ত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Cooperation) ভুক্ত দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।আজ ১২ মে ২০২৬, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় অভিনন্দন জানানো হয়।এ সময় সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল ও ওষুধ শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman তাদের এই সমর্থন ও শুভেচ্ছার জন্য সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে তা আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।তিনি জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।এ সময় সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারসহ ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা Humayun Kabir, পররাষ্ট্রসচিব মো. ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ঢাকা বিভাগে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ের বড় একটি অংশ রাজধানীকেন্দ্রিক ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকায় অধিকসংখ্যক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, আর্থিক কার্যক্রমের কেন্দ্রীয় অবস্থান এবং প্রবাসীদের পরিবারের বড় অংশ বসবাস করায় এই বিভাগে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশি দেখা যাচ্ছে।অন্যদিকে, দেশের একটি বিভাগে সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলনামূলক কম হওয়া, কমসংখ্যক প্রবাসী এবং সীমিত ব্যাংকিং সুবিধাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠাতে আরও প্রণোদনা ও সহজ ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।